২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, শনিবার

রসুনের দাম বৃদ্ধির কারণ ব্যবসায়ীরা নিজেরাই জানেন না

আপডেট: জুন ২৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আব্দুর রহিম রানা, যশোর

যশোরের বাজারে প্রতিদিন বাড়ছে রসুনের দাম। গত ১৫ দিনের ব্যবধানে কেজিতে রসুনের দাম বেড়েছে ৭০ টাকা। শাক-সবজি, চাল, ডাল, পেঁয়াজ, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম অপরিবর্তিত আছে। শুক্রবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে রসুনের সরবরাহের কমতি নেই। দেশি রসুনের সাথে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আমদানিকৃত রসুন। তারপরও কেন রসুনের দাম বাড়ছে তার সদুত্তর নেই খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে।

গতকাল প্রতিকেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ১শ’১০ টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা। ১শ’৪০ টাকা থেকে ১শ’৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আদমানিকৃত রসুন।

প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২২ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁয়াজ। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁচামরিচ।

সবজির দাম আগের মত আছে। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতিকেজি কুশি বিক্রি হয় ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঢেঁঢ়স। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হয় ১৫ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় করোলা উচ্ছে। প্রতিকেজি ডাঁটা বিক্রি হয় ২০ টাক। ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঝিঙে। প্রতি কেজি কাঁররোল বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতিকেজি ওল বিক্রি হয় ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতিকেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮৫ টাকা থেকে ৮৭ টাকা। ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতিকেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’১০ টাকা থেকে ১শ’ ২০ টাকা। ৫৫ টাকা ৫৮ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে চালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা। ২৭ টাকা থেকে ২৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মোটা চাল। প্রতি কেজি বিআর-১০ চাল বিক্রি হয় ৩১ টাকা থেকে ৩২ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩১ টাকা কেজি বিক্রি হয় রনজিৎ চাল। প্রতি কেজি বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৩৪ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।

 

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন