২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, রবিবার

ভূল স্বীকার করে সাংবাদিকের কাছে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রলীগ সভাপতি

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ঢাকা বিশ্বব‌দ্যিাল‌য়ের মধুর ক্যা‌ন্টি‌ন থে‌কে এক সাংবাদিককে তুলে নেয়ার ঘটনায় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও তার অনুসারী সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এসময় তারা ভবিষ্যতে এরকম কর্মকাণ্ড হলে এর সুষ্ঠু বিচার হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দি‌য়ে‌ছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে তারা এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রায়হানুল ইসলাম আবির ও সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিমসহ সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপু‌রে ছাত্রলীগ সভাপ‌তি শোভ‌নের গা‌ড়ি‌তে বসাসহ বি‌ভিন্ন কার‌ণে ছাত্রলী‌গেরই দুই সহ-সভাপ‌তির ম‌ধ্যে কথা কাটাকা‌টি ও এক পর্যা‌য়ে মারামারির ঘটনা ঘ‌টে।‌ দৈনিক ইন‌কিলা‌বের বিশ্ববিদ্যালয় প্র‌তি‌নি‌ধি মো. নুর হোসেন ইমন দা‌য়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সেই মারামা‌রির ভি‌ডিও ধারণ করেন। এ সময় তা‌র হাত থে‌কে মোবাইল কে‌ড়ে নি‌য়ে তা‌কে জোর ক‌রে শোভনের গা‌ড়ি‌তে তো‌লেন সহসভাপ‌তি আল না‌হিয়ান খান জয়। প‌রে গা‌ড়ির ভেতর মোবাইল থে‌কে ভি‌ডিও‌টি ডি‌লেট ক‌রে দেন ছাত্রলীগের এই নেতা। এসময় গা‌ড়ি‌তে ছাত্রলীগ সভাপ‌তি শোভনও উপ‌স্থিত ছি‌লেন ব‌লে জানান ভুক্তভোগী সাংবা‌দিক।

ইমন সাংবাদিকদের ব‌লেন, ‘মধুর ক্যান্টিনের বাইরে পাবলিক প্লেসে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে আমার মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন আমাকে জোর করে গাড়িতে উঠান। পরে অনুরোধ করলে হাতিরপুল বাজারের কাছে আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন।’

ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আজকে যে ঘটনা ঘটেছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। এই ঘটনার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

শোভন বলেন, ‘আমি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তাকে গাড়িতে তুলিনি। তাকে বাঁচানোর জন্যই গাড়িতে তুলেছিলাম। আমি সবার কাছে মাফ চাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে যদি আরও কোনো এরকম ঘটনা ঘটে তাহলে এর সুষ্ঠু বিচার করব।’

সন্ধ্যায় দুঃখ প্রকাশ ক‌রে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘এটা দুঃখজনক। আমি আসলে বুঝতে পারিনি। আমার দুই বন্ধুর মধ্যে মারামারি হওয়ার কারণে আমার মাথায় কিছু কাজ কর‌ছিল না। এই কারণে হুট করে কী হয়েছে আমি বুঝতে পারিনি। এ ঘটনার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আগামীতে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটবে না।’

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন