২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, বুধবার

আজ ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে খুলে যাবে মা দুর্গার স্নিগ্ধ শান্ত চোখ

আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পঞ্চমী তিথিতে বেলশাখায় দেবী দুর্গার বোধন হয়েছে। দক্ষিণায়নের নিদ্রিত দেবীর নিদ্রা ভাঙার জন্য পারিবারিক মণ্ডপে করা হয়েছে পূজা।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) শুক্লাষষ্ঠীতে পূজার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবীর আগমন ঘটছে ঘোড়ায় চড়ে।

৮ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গা বিদায়ও নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারূপে তিনি বাপের বাড়ি বেড়াতে মর্ত্যলোকে আসছেন।

বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ-উলুধ্বনি আর ভক্তকুলের আবাহনের মন্ত্রোচ্চারণে দেবী দুর্গার স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমন ঘটেছে।

আজ ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে খুলে যাবে মা দুর্গার স্নিগ্ধ শান্ত চোখ। জেগে উঠবেন দশভুজা। আশীর্বাদ দেবেন মনোবাঞ্ছা নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পূজারিকে। আগামীকাল মহাসপ্তমী। দশমীতে দেবী দুর্গার বিসর্জন বা বিজয় দশমী।

পূজার মন্ত্রোচ্চারণ, মন্দিরে মন্দিরে ধূপ-ধুনোয় ভক্তদের নৃত্য আরতি, ঢাক-ঢোল, কাঁসর-মন্দিরার পাশাপাশি মাইকের আওয়াজ আর বর্ণাঢ্য আলোকচ্ছটায় আজ দেশের পূজামণ্ডপগুলো উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিশ্বাস করে, দুর্গতি বিনাশ করার জন্য তার আবির্ভাব, তাই দেবীর নামকরণ ‘দুর্গা’। আজ মন্দিরে মন্দিরে ঠাঁই দেয়া হবে দেবী দুর্গার প্রতিমাকে।

দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে এ বোধনের মাধ্যমে দক্ষিণায়নের নিদ্রিত দেবীর নিদ্রা ভাঙার জন্য বন্দনা পূজা করা হবে। পাঁচদিনের এ উৎসব ৮ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

‘দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনে’ দুর্গতিনাশিনীর আগমন আনন্দে বিহ্বল বিশ্বের কোটি কোটি হিন্দু। প্রতিমা তৈরি শেষ। বাহারি রঙ চড়েছে প্রতিমার গায়ে। নিপুণ শিল্পী তার তুলির আলতো ছোঁয়ায় জাগিয়ে তুলেছেন মা দুর্গাকে।

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন